Home » ছোটোগল্প » মন্ত্রগুপ্তি

মন্ত্রগুপ্তি

সুনেত্রা সাধু 

মোহনপুরের মতো সুন্দর রাজ্য এ দেশে দুটো নাই। সে রাজ্যের জমিতে উপচে পরে ধান, গাছ ভরে থাকে ফলে, বাগানের মাচায় ঝোলে নধর লাউ, কুমড়ো। শাক সবজির ক্ষেত সবুজে সবুজ। পুকুরে খলবল করে রাশি রাশি মাছ। গোয়াল ভরে থাকে গরু। রাজার হাতিশালে হাতি, আর ঘোড়াশাল ভরা থাকে টগবগে তেজীয়ান ঘোড়ায়। গাছে গাছে পাখি আনন্দে গান গায়। কোত্থাও এতটুকু অভাব নেই। চুরি নেই, ছিনতাই নেই, সে রাজ্যে  কোটাল হরিনাম গেয়ে দিন কাটায়। রাজ্যের মানুষের মনে  উপচে পড়ে সুখ।  হবে নাই বা কেন! এ রাজ্যের রাজা হলেন প্রজাদের পিতা সমান। সবার প্রতি তাঁর সমান নজর। মন্ত্রী, পাত্র, মিত্র, সভাসদ সবাই ব্যস্ত রাজ্যের শান্তি রক্ষার্থে। এখানে কেউ মুখ ভার করে থাকে না। এ হেন সুখের রাজ্যে বাস করেও কয়েকদিন থেকেই  রাজার প্রিয় ‘পাত্র’র মুখে হাসি নেই।

সেই কথা ভেবে সভায় সকলেই উদ্বিগ্ন, এমন হাসিখুশি ছেলের একি হাল! রাজা ডেকে পাঠিয়েছেন বৃদ্ধ রাজ বৈদ্যকে, যার এক মাত্রা ওষুধ খেলে মরা মানুষ পর্যন্ত বেঁচে ওঠে। সভা ভঙ্গ হলে পাত্রকে নিয়ে যাওয়া হল রাজ বৈদ্যের কক্ষে, সঙ্গে গেলেন স্বয়ং রাজা, তার প্রিয় পাত্রের মুখের হাসি চলে গেলে তিনি কেমন করে স্বস্তিতে থাকেন!  পাত্রের নাড়ি ধরে ঘাড় ঝুঁকিয়ে বসে থাকেন বৈদ্য। সময় বয়ে যায় পাত্রের হাত টনটন করে, রাজা অধৈর্য হয়ে পায়চারি শুরু করেন। প্রায় একঘন্টা নাড়ি ধরে বিচার করবার পর রাজ বৈদ্য নিদান দেন মাথায় বায়ু উঠেছে৷ পিত্তের প্রকোপও কম নয়। ঘৃতকুমারির প্রলেপ লাগয়ে সূর্যের প্রথম আলোয় একশোটি অনুলোম বিলোম করলে সুফল মিলবে, সাথে খেতে হবে হরতুকী ভেজা জল আর শতমূল বাঁটা। এই সামান্য অনুপান পড়লেই  হাসি ফুটবে পাত্রর মুখে৷ রাজা নিশ্চিন্ত হন। কিন্তু পাত্র জানে তার কিসের অসুখ, বায়ু তার মাথায় ওঠেনি তার কপালে আজকাল শনি নাচে। কিছুকাল এমনি চললে তাকে উদ্বাহু হয়ে  পথে ঘাটে  নেচে বেড়াতে হবে। 

সন্ধ্যাকাল উপস্থিত,  পাখিরা বাসায় ফিরছে। ঘরে ঘরে শাঁখ বাজছে, মন্দিরে ঘন্টা বাজিয়ে আরতি হচ্ছে, মৃদু মৃদু হাওয়া বইছে পরিবেশ অত্যন্ত মনোরম। তথাপি পাত্র দুরু দুরু বক্ষে নিজ গৃহের চৌকাঠ পেরিয়ে ঢোকে। দুই রমনী প্রস্তুত ছিল ঘটি আর গামছা হাতে, তারা একসাথে এগিয়ে আসে। পাত্রে’র মা বলে ওঠে, “বাবা তেতেপুড়ে এলি?  আয় আয়,  হাত পা ধুয়ে দিই, আজ তোর জন্য নিজের হাতে যুত করে ফলার মেখেছি।” বাতের ব্যথায় টনটনে  কোমর ঝুঁকিয়ে পা ধোয়ানোর আগেই পাত্রের  সদ্য বিবাহিতা পত্নী পায়ের উপর ঘটি উপুড় করে দিয়ে বলে, “ আজ তোমার জন্য লুচি ভেজেছি।”  আর তারপর ব্যাস। খেলা শুরু। এদিক থেকে ঘটি উড়ে এসে ওদিকে পড়ে ঠকাং করে, ওদিকের ঘটি এদিকে উড়ে এসে শান বাঁধানো মেঝে ফাটিয়ে দেয়। পাত্র পা ছড়িয়ে দাওয়াতে বসে থাকে, দুই যুযুধান পা ধোয়ানোর  অধিকার নিয়ে লড়ে যায়৷ ফলারে মাছি বসে, লুচি নেতিয়ে যায়, অভুক্ত  পাত্র কখন বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যায় খেয়াল থাকেনা দুই রমনীর। 

কামার শালে তখন টিমটিম করে রেড়ির তেলের প্রদীপ জ্বলছে। পাত্র মুখ শুকনো করে এসে দাঁড়ায়।  কামার এগিয়ে এসে বলে, “পেন্নাম হই পাত্র মশাই মুখখানা শুকনো কেন? দেশে কি যুদ্ধ লাগবে নাকি? তলোয়ারে তো মরচে পড়েছে শান দিয়ে দিই ?” পাত্র মাথা নেড়ে বলে “আমায় দুটো টুকরো করে দিতে পারো?  একটা মা কে দিই আর একটা বৌকে?”“ না মশাই তার যে কোন উপায় নাই। তবে যদি করেও দিই, দুজনেই বাম দিক নিতে চাইবে, কলজে যে ওই দিকেই, সবাই মনের অধিকার চায়।”“তাহলে কি উপায়?” জিজ্ঞেস করে পাত্র। “আপনি বরং কুমোরের কাছে যান সে যদি কিছু করতে পারে।”

একতাল কাদামাটি নিয়ে কুমোর বসেছে পুতুল গড়তে, আর কিছুদিন পরেই মেলা বসবে তাই পুতুলের যোগান চায়। সার সার পুতুল দাঁড়িয়ে আছে, কি সুন্দর সব!  ঠিক যেন জ্যান্ত। পাত্র গিয়ে দাঁড়ায়,  পাত্রকে দেখে কুমোর তড়িঘড়ি উঠে দাঁড়িয়ে বলে, “পেন্নাম হই পাত্র মশাই,  এই সাঁঝের বেলা কি মনে করে?  ঘর আলো করতে প্রদীপ চাই?”“  না হে, আমার মতো দেখতে একটা পুতুল গড়ে দাও বাড়িতে একজনকে পুতুল দিই একজনের কাছে আমি যাই।”কুমোর বলে, “ কিন্তু পাত্র মাশাই এ যে বড় মুসকিলের কথা। শিশুকন্যাদের  নিষ্প্রাণ পুতুল দিয়ে ভোলাতে পারেন, কিন্তু রমনীগন যে সর্বদা জ্যান্ত পুতুল নিয়ে খেলা করতে চায়। এই মাটির পুতুল আপনি কার ভাগে দেবেন?” পাত্র ভাবে সত্যি তো! মা বেশি আপন? নাকি বৌ বেশি আপন? পাত্র জিজ্ঞাসা করে,“ তাহলে উপায়?” “মোহনপুরের শেষ মাথায় এক সাধু বসে থাকেন বট গাছের নীচে, তার কাছে গেলে সব প্রশ্নের জবাব মেলে।  আপনি যেতে পারেন।”

পাত্র ঘোড়া নিয়ে আসেনি একবার ভাবে আজ থাক, কাল যাওয়া যাবে পথ বেশ দূর। তারপর কি ভেবে হাঁটা শুরু করে, আজ একটা ব্যবস্থা না করে সে জলগ্রহণ করবে না। রাস্তায় প্রজারা মাথা ঝুঁকিয়ে পেন্নাম করে, কেউ বা পাত্রকে পায়ে হাঁটতে দেখে তাদের ঘোড়া এগিয়ে দেয়। কেউ বা রথ এনে দাঁড় করায়। পাত্র বিনীত ভাবে প্রত্যাখ্যান করে,  এ পথ শুধু তার একার, কার সাথে ভাগ করবেন এ কষ্ট! তিনি না পুরুষ মানুষ! বট গাছের নীচে কাঠকুটো জড়ো করে ধুনি জ্বালিয়েছেন সাধুবাবা। পরনে তার রক্ত বস্ত্র, মাথায় চুড়ো করে বাঁধা জটা,  গলায় ঝুলছে রুদ্রাক্ষমালা, কপালে রক্তবর্ণের তিলক।

পাত্র গিয়ে দাঁড়ায় সাধুর সামনে তারপর গড় হয়ে প্রণাম করে৷ ওঠ বৎস ওঠ,  তোর দুখ আমি বুঝি রে, কোনো এক কালে  তোর মতো অবস্থা যে আমারো ছিল, তার জন্যই আমি আজ সাধু। কিন্তু বৎস তোকে আমি সাধু হতে দেব না। আগামীকাল  সূর্য  ওঠার আগেই নিয়ে আয় তোর পত্নীকে, মন্তর দি কানে। আর মা কে নিয়ে আয় সাঁঝের বেলা,  মন্তর ওনাকেও দিতে হবে। কিন্তু একটি কথা, মা যেন না জানে যে বৌ এসেছে আর বৌ  যেন না জানে যে মা এসেছে। বুঝলি তো ? পাত্র মাথা নাড়ে, দ্রুত গতিয়ে পা চালায়,  কাল ভোরেই আবার আসবে  সে। 

পাত্র ঘরে ঢুকে দেখে ঘর আঁধার, প্রদীপ জ্বালার কথা মনে হয়নি কারো। ঘরের জিনিস এলোমেলো, দুই যোদ্ধা ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছে নিজের নিজের ঘরে, তাদের দুজনের বালিশ ভেজা। ঘরে উনুন জ্বলে নি রান্না হয়নি। কলসী থেকে জল গড়িয়ে ক ঢোঁক জল খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে পাত্র, যদিও ঘুম আসে না। ভোর রাতে একটা তন্দ্রা ভাব এসেছিল বটে তবে সাধুর কথা মনে পড়তেই ধড়মড়িয়ে উঠে বসে সে।  স্ত্রীকে জাগিয়ে বলে চলো এক সাধুর কাছে নিয়ে যায়, মাকে বশ করার মন্ত্র দেবে তোমাকে, তারপর তুমিই হবে ঘরের কর্ত্রী। পাত্রের বউ খুশি মনে দ্রুত তৈরী হয়ে রওনা দেয়, আজ থেকে তার দুখের দিন শেষ। সাধু সেই একই ভাবে গাছ তলায় বসেছিল। পাত্রের বৌ সাধুকে প্রণাম করে বসল সামনে।

সাধু বলল মা,  তোর মতো ভালো মেয়ে দুনিয়াতে দুটো নেই, সেই তোরই কিনা সংসারে মূল্য নেই? দুঃখ রাখিস না, ওই দজ্জাল বুড়ি যেমনি ঝগড়া করার জন্য মুখ খুলবে তুই মনে মনে বলবি ” তুমি তোমার মতো বলবে, আমি আমার মতো চলবো” ব্যাস, তারপরেই দেখবি বুড়ির  মুখে রা টি নেই, সব কথা বলবে কিন্তু কুকথা আর বলবে না। এই মন্ত্র কাজ শুরু করবে আজ সন্ধ্যে বেলা থেকে, তবে এই মন্তর বলার পর তুই যদি কুকথা বলে ফেলিস তাহলে ফল উল্টো হবে তুই শাশুড়ীর বশ হবি শাশুড়ী তোর না, তাই সাবধান। সব বলবি কুকথা বলবি না। পাত্রের স্ত্রী খুশি মনে বাড়ি ফিরল। ফেরার আগে সাধু চোখ টিপে ইশারা করে দিল পাত্রকে, আজ সন্ধ্যায় আবার আসবে সে।   

মায়ের ঘুম ভাঙার আগেই দুজনে চুপিচুপি  ঘরে ঢুকে পড়ল। ঘুম থেকে উঠেই ছেলের জন্য মায়ের প্রাণ হাঁকপাঁক করে উঠল, আহারে  বাছার কাল অন্ন জোটেনি, এখন  এক গেলাস দুধ খাক বরং, মা দুধের গেলাস হাতে খোকাকে ডাক দিল, বৌ এসব দেখেও কিছু বলল না। শাশুড়ী আশ্চর্য হল,  অন্যদিন ছেলেটাকে দু গেলাস দুধ খেতে হয়। ছেলে চুপি চুপি মায়ের কানে বলে সন্ধ্যে বেলা এক সাধুর কাছে নিয়ে যাব তোমাকে বউ বশ করার মন্ত্র দেবে। মা তো চরম খুশি , সাধুর নাম কানে আসার আগেই বউ  শুধরে গিয়েছে, নইলে সকাল থেকে বাড়িতে কাক,  চিল বসতে পায় না। পাত্র বিকেল বেলায় মা কে নিয়ে বেরিয়ে পড়ল, বৌ জানল শাশুড়ী মন্দিরে গিয়েছে পুজো দিতে। পাত্র সাধুর কাছে গিয়ে দেখল সেই এক ভাবে সাধু বসে আছে, সামনে ধুনি জ্বলছে। পাত্রর মা গলায় আঁচল দিয়ে পেন্নাম করল।

মা, তোর মনে সুখ নাই, বুঝিরে মা সব বুঝি,  এই কদিনের ছুঁড়ি, আবাগীর বেটি তোর থেকে ছেলে কেড়ে নিতে চায়? জব্দ করতে হবে, আয় তোকে মন্তর দিই। যেই দেখবি ওই হতচ্ছাড়ি তোকে গাল পাড়তে শুরু করেছে সেই বলবি “তুমি তোমার মত বলবে আমি আমার মতো চলব” ব্যাস, তারপরেই তোর ওই কুচুটে বৌ দেখবি মুখে কুলুপ এঁটে আছে, সব বলবে কুকথা বলবে না। তবে হ্যাঁ মন্তর দেবার পর তুই কুকথা উচ্চারণ করবি না, করলেই উল্টো ফল, তখন কিন্তু তুই বৌ এর বশ হয়ে যাবি। আর চুপ থাকলে বৌ তোর বশ মানবে।  তাই যেন হয় বাবা বলে মাথা ঠুকে আবার পেন্নাম করে পাত্রর মা। পাত্র এক ঝোলা মোহর সাধুর হাতে দেয়। সাধু ফিরিয়ে দিয়ে বলে আমি সাধু মানুষ মোহর আর পাথর আমার কাছে সমান। তুই বাড়ি যা।

  দজ্জাল বুড়ির ধম্মকম্মে মতি হয়েছে দেখে খুশি হয় বৌ, আজ সে পরিপাটি করে খোপা বেঁধেছে, খয়ের দিয়ে ঠোঁট রাঙিয়েছে, কপালে কুমকুমের ফোঁটা দিয়েছে৷ ঘটিতে জল ভরে রেখেছে গামছাটি রেখে হাতের কাছেই। ওই বজ্জাত বুড়ির জন্য কাল বেচারা স্বামীর লুচি খাওয়াই হয়নি তাই বৌ আজ লুচি আর পায়েস রেঁধেছে। ঠিক করেছে বুড়ি চৌকাঠ ডিঙোলেই মন্ত্র পড়ে দেবে। পাত্রর মা  মনে মনে  ভাবতে ভাবতে আসছে ঘরের চৌকাঠ ডিঙোলেই মন্ত্র পড়ে দেব, বদমাইস বৌটা জ্বালিয়ে পুড়িয়ে হাড় মাস ভাজা ভাজা করে দিল গো! তারপর সেই চরম মূহুর্ত এল শাশুড়ী চৌকাঠ  ডিঙোতেই বৌএর মুখ থেকে উড়ে এল সেই মন্ত্র, আর ঘরে পা দিয়েই শাশুড়ী বৌএর দিকে ছুঁড়ে দিল সেই একই অমোঘ মন্ত্র।

তারপর ঘর জুড়ে অপার স্তব্ধতা,  এক নৈসর্গিক সুখ টুপটাপ ঝড়ে পড়তে থাকল। বৌ স্বামীর পা ধুইয়ে দিল,  শাশুড়ী পা জোড়াও বাদ পড়ল না। শাশুড়ী ঠাকুরের চরণের ফুল ছেলের মাথায় ছুঁইয়ে দিলে বাদ পড়ল না বৌ এর মাথা। তারপর থেকে পাত্র খেতে বসলে একজন বাতাস করে একজন খাবার এগিয়ে দেয়। একজন মোচার ঘন্ট ভাল রাঁধে বলে অন্যজন উনুন ছেড়ে দেয়। অন্যজন ঝুরঝুরে পোলাও রাঁধে বলে আর একজন গোবিন্দভোগ আতপ চাল ভিজেয়ে তার অপেক্ষা করে। দুজন সকালে উঠেই মন্ত্র দেগে দিয়ে চুপ করে যায়, তার ফলে বোবার আর কোন শত্রু থাকে না। শাশুড়ীর মনে হয় আহা বৌটা ততটা খারাপ নয়, বিকেল বেলা বৌ এর একঢাল চুলে তেল দিয়ে খোঁপা বেঁধে দেয় শাশুড়ী।

বৌ ভাবে মিছেই ঝগড়া করেছি,  এ যে মায়ের মতোই। তাই বাতের ব্যথায় কষ্ট পেলে শাশুড়ীর কোমরে পায়ে তেল মালিশ করে দেয় বৌ। পাত্রর মুখে হাসি ফোটে, রাজার প্রাণে শান্তি ফেরে,  রাজ বৈদ্যের বুকে নতুন মেডেল ঝোলে। পাত্রর বড় সাধ হয় সাধুকে গিয়ে সুখের কথা জানিয়ে আসতে। সভার কাজ শেষ করে ঘোড়া ছুটিয়ে রওনা দেয় সে। গিয়ে দেখে সাধু নাই, নিভে যাওয়া ধুনির পোড়া কাঠ পড়ে আছে শুধু। পাত্র ফিরে আসে, ভাবে আহা সুখের কথা সাধুর অজানা রইল! কিন্তু সাধু যে সব জানে, তাই তো এক রাজ্যে থেকে আর এক রাজ্যে সে বিলি করে বেড়াচ্ছে সেই অমোঘ সুখের মন্ত্র, ” তুমি তোমার মত বলবে,  আমি আমার মতো চলব”       

আপনার মতামত:-