করোনাতঙ্ক বহুগুন: প্রযত্নে সমাজ মাধ্যম

অগ্নিভ সেনগুপ্ত

করোনা ভাইরাস​, নাম তো জরুর শুনা হোগা!

এখন সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে আমি-আপনি সোফায় বসে চা খেতে-খেতে করোনার বিষয়ে প্রায় স্পেশালিস্ট হ​য়ে গেছি। নিজ-বুদ্ধি বা অন্যদের ফরোয়ার্ডেড পোস্ট প​ড়ে এই ভ​য়াবহ ভাইরাসের আগাগোড়া, এমনকি এর বিরূদ্ধে যুদ্ধ করার বিভিন্ন পদ্ধতিও জেনে গেছি। প্রথমেই বলে রাখি, আমার ডিগ্রি কম্প্যুটার ইঞ্জিনিয়ারিং-এ, এবং স্বাভাবিক কারণেই ভাইরাস ইত্যাদি সম্বন্ধে আমার ধারণা উচ্চ​-মাধ্যমিকের জীবন​-বিজ্ঞানের বই অবধি সীমিত​। তাই, আপনি যদি আমাকে সোশ্যাল মিডিয়ায় একজন বিজ্ঞ-দর্শন মানুষের পোস্ট বা ভিডিও দেখান এই বিষ​য়ে, আমি হ​য়তো বিনা দ্বিধায় মেনে নেব​। কিন্তু, সেটা কি আমাদের দৈনন্দিন জীবনে, বিশেষতঃ এই পৃথিবী-ব্যাপী ভাইরাস​-আক্রমণের সম​য়ে খুব-একটা উপকারী?

আবার​, অনেক মানুষ​, বিশেষতঃ নেদারল্যান্ডসে যেমন দেখছি, এই সম​য়েও বেশ উদাসীন​। নিজের দৈনন্দিন জীবনের কোন পরিবর্তন তো করেনই নি, এমনকি নিজের শখ​-আহ্লাদেও কোন ছেদ আসেনি। অনেকেই হয়তো খবর পেয়েছেন​, এক বিশ্ববিদ্যাল​য় থেকে প্রায় ৯০০ ছাত্র​-ছাত্রী এই সম​য়ে উত্তর​-ইতালীতে (যেখানে এই রোগের প্রকোপ ইয়োরোপে সর্বাধিক​) স্কী করতে গিয়েছিলেন​। এই ঘটনা হ​য়ত উদাসীনতার (প্রকারান্তরে, ঔদ্ধত্বের​) চূড়ান্ত উদাহরণ​, কিন্তু এমন ছোট​-খাটো উদাহরণ খুব​-একটা বিরল ন​য়​। তাঁরা বলবেন​, এতো চিন্তার কি আছে? টেক লাইফ অ্যাজ ইট কামস্। সেটা কি এই বিস্তৃত দুঃসম​য়ে খুব সম​য়োপযোগী পথ​?

আসুন না, একটু সাধারণ বুদ্ধি দিয়ে তুল্যমূল্য বিচার করা যাক​!

ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশনের সূত্র অনুযায়ী, করোনা ভাইরাসের বিভিন্ন প্রকারান্তর আছে, এবং তার উপসর্গ সাধারণ সর্দি-কাশি থেকে গুরুতর শ্বাস​-প্রশ্বাসের অসুখ, যেমন Middle-East Respiratory Syndrome (MERS-CoV) বা Severe Acute Respiratory Syndrome (SARS-CoV) হতে পারে। ২০১৯ সালে এক নতুন প্রজাতির করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব​, যার নাম Novel Coronavirus (nCoV), এবং সেই ভাইরাসই বর্তমান অবস্থার জন্যে দায়ী। আর​, এই নোবেল করোনা ভাইরাস যে রোগ ছড়াচ্ছে, তার নাম Coronavirus Disease, বা COVID-19।

বর্তমানে, এই নতুন প্রজাতির করোনা ভাইরাসের ব্যবহার ও মানুষের শরীরে তার প্রভাব সম্বন্ধে বৈজ্ঞানিকরাও কিছুটা অন্ধকারে। তাই, এই নোভেল করোনা ভাইরাসের কোন টীকা এখনো আবিষ্কৃত হয়নি। আশা রাখি, আগামী কিছু মাসের মধ্যেই তা লভ্য হবে।

এই নোবেল করোনা-ভাইরাসের উপসর্গ কি? ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশনের ওয়েবসাইট থেকে সরাসরি তুলে দিলাম, যাতে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অনুবাদে হারিয়ে না যায়​।

The most common symptoms of COVID-19 are fever, tiredness, and dry cough. Some patients may have aches and pains, nasal congestion, runny nose, sore throat or diarrhea. These symptoms are usually mild and begin gradually. Some people become infected but don’t develop any symptoms and don’t feel unwell. Most people (about 80%) recover from the disease without needing special treatment. Around 1 out of every 6 people who gets COVID-19 becomes seriously ill and develops difficulty breathing. Older people, and those with underlying medical problems like high blood pressure, heart problems or diabetes, are more likely to develop serious illness. People with fever, cough and difficulty breathing should seek medical attention.

যেহেতু এই ভাইরাসকে আমাদের শরীর চিনে উঠতে পারেনি, সেহেতু আমাদের ইম্যুনিটি সিস্টেমের এই ধরণের ভাইরাসের বিরূদ্ধে যুদ্ধ করার প্রক্রিয়া জানা নেই। স্বাভাবিক কারণেই, এই ভাইরাসের কোন প্রতিষেধকও আবিষ্কৃত হ​য়নি। এবং, সেই কারণেই যেকোন নতুন প্রজাতির ভাইরাসের মতোই এই ভাইরাস পৃথিবীর সমস্ত মহাদেশে মহামারীর মতো ছ​ড়িয়ে প​ড়েছে।

কিভাবে ছ​ড়াচ্ছে এই ভাইরাস​? ওয়ার্ল্ড হেল্থ অর্গানাইজেশনের মতে, করোনা মূলতঃ কম্যুনিটি-স্প্রেড ভাইরাস​। এবং, অন্যান্য ভাইরাসের মতোই এই ভাইরাসও ক্যারিয়ার, অর্থাৎ বাহক ছাড়া ছ​ড়াতে পারে না। আমার​-আপনার এই ভাইরাসের দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার একমাত্র সম্ভাবনা হচ্ছে, যদি কোন আক্রান্ত মানুষ, যার মধ্যে এই রোগের উপসর্গ আছে, তার সংস্পর্শে আমরা আসি। যদি কেউ এই ভাইরাসে আক্রান্ত হ​য়ে থাকেন​, কিন্তু তাঁর মধ্যে উপসর্গ না দেখা যায় (অর্থাৎ, হাঁচি, কাশি, জ্বর ইত্যাদি), তাহলে তাঁর এই রোগ ছ​ড়ানোর সম্ভাবনা খুবই কম​।

আমরা, যারা আশি বা নব্বইয়ের দশকে জন্মেছি, তাদের জীবদ্দশায় কিন্তু এই করোনা ভাইরাসের থেকেও ধারে এবং ভারে অনেক কঠিন ভাইরাসের সম্মুখীন হ​য়েছি।

যেমন​, ২০০৯ সালের সোয়াইন ফ্লুতে আক্রান্ত হয়েছিলেন প্রায় দুই লক্ষ কোটি (বা, দুই বিলিয়ন​) মানুষ​, এবং দুর্ভাগ্যবশতঃ দুই লক্ষের​ উপরে মানুষের মৃত্যু হ​য়েছিল​। ২০১৩ সালে এসেছিল ইবোলা। যদিও আক্রান্ত মানুষের সংখ্যা ছিল অনেক কম​, আঠাশ হাজারের কাছাকাছি, কিন্তু মৃত্যুর সংখ্যা ছিল এগারো হাজারের বেশী। অর্থাৎ, প্রায় ৪০% আক্রান্ত মানুষ মারা গিয়েছিলেন​।

সেই তুলনায়​, করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা আপাততঃ দুই লক্ষের কাছাকাছি​, যার মধ্যে প্রায় আশি হাজার​ মানুষ সুস্থ হ​য়ে উঠেছেন​। এবং, মৃত্যুর সংখ্যা সাত হাজারের কাছাকাছি। কিন্তু, আমাদের সামাজিক জীবনে প্রভাবের দিক থেকে দেখলে এই করোনা ভাইরাসের সমতুল্য আতঙ্ক আমাদের জীবদ্দশায় কখনো সৃষ্টি হ​য়নি।

আমার মতে, তার প্রধান কারণ – তথ্যের সহজলভ্যতা। ২০০৯ সালে, অর্থাৎ সোয়াইন ফ্লুয়ের কবলে যখন সমগ্র পৃথিবী, সোশ্যাল মিডিয়ার জনসংখ্যা তখন এক বিলিয়ন মাত্র​। আজকের দিনে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করেন চার বিলিয়ন মানুষ​। তার হাত ধরে আজকে করোনার আতঙ্ক আমার​-আপনার লিভিং রুমে পৌঁছে যাচ্ছে অনায়াসে। ফেসবুক​, ট্যুইটার​, হোয়াটস্যাপ-জুড়ে এখন আলোচনার একমাত্র বিষ​য়বস্তু এই ভাইরাসের আতঙ্ক​।

ক​য়েক বছর আগেও আমাদের তথ্যের প্রধান সূত্র ছিল খবরের কাগজ বা নিউজ চ্যানেল​। হলুদ সাংবাদিকতা তখনও ছিল​, কিন্তু সংবাদমাধ্যমে অবান্তর​ গুজব ছ​ড়ানোর সম্ভাবনা কম ছিল​। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের দৌলতে জনগণের কাছে যেকোন তথ্য সহজেই যাচাই করার অবাধ সুযোগ ছিল (যা এখনো আছে)। কিন্তু, এখন মাইক্রোব্লগিং এবং সোশ্যাল মিডিয়ার রাজত্বে আমরা সবাই সব বিষ​য়েই বিশেষজ্ঞ। এবং, এই মাধ্যমের প্রচার এবং প্রসার চাইনিজ হুইস্পার খেলার মতো। তাই, অর্ধ-সত্য অথবা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন মিথ্যা খুব সহজেই পৌঁছে যায় আমার​-আপনার দোরগোড়ায়​।

আজকের ব্যস্ততার যুগে ফাস্ট ফুডের মতো ফাস্ট ইনফর্মেশনও আমাদের অত্যন্ত প্রিয়​। তাই, একটা হোয়াট্স্যাপ ফরোয়ার্ড পেলেই আমরা সেটা চট করে অন্য গ্রুপে ফরোয়ার্ড করে ফেলি, তার সত্যাসত্য বিচার না করেই।

অন্যান্য ট্রেন্ডিং টপিকের মতো এই মহামারীর ক্ষেত্রেও জ্ঞানত বা অজান্তেই আমরা গুজবের ক্যারিয়ার এবং শিকার হচ্ছি খুব সহজেই। যেমন, অনেকে দাবী করছেন যে প্রত্যেক পনেরো মিনিট অন্তর জল খেলেই এই ভাইরাস হজমী গুলির মতো আপনার পেটে চলে যাবে, এবং আপনি এর আক্রমণ থেকে বেঁচে যাবেন​। অথবা, ১০ সেকেন্ড নিঃশ্বাস বন্ধ করে রাখতে পারাই প্রমাণ করবে আপনি এই ভাইরাসে আক্রান্ত কি না। বিভিন্ন গুজব নিয়ে ‘সম​য়’​-এর অন্য একটি প্রবন্ধে বিশদে আলোচনা হ​য়েছে, প​ড়ে নিতে পারেন​।

আর​-এক শ্রেণীর মানুষ আছেন​, যাঁরা মনে করেন যে অনেক কর্তৃপক্ষের​ থেকে তাঁদের বিদ্যা ও জ্ঞান অনেক বেশী। এই সোশ্যাল মিডিয়ার দৌলতে তাঁদের সেই জ্ঞানের ঝুড়ি উপুড় করে দেন আমার​-আপনার মাথায়​। যেমন​, আমার অনেক পরিচিতকেই বলতে শুনেছি, ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশন এই করোনার ব্যাপারে সবকিছু ঠিক বলছে না। হতেই পারে, কারণ এই ভাইরাস আমার​-আপনার মতো তাঁদের কাছেও নতুন​। কিন্তু, সেখানে যাঁরা বসে আছেন​, তাঁদের জ্ঞানের পরিধি আমার​-আপনার থেকে অনেক বেশী, কারণ তাঁরা ফেসবুক​-ট্যুইটারের বাইরেও এই বিষ​য় নিয়ে বিশদে প​ড়াশুনা করেছেন​। সুতরাং, ওনারা যেটা জানেন না, সেটা আপনি জানেন​, তার সম্ভাবনা খুবই ক্ষীণ​।

যেহেতু এখন তথ্যের যোগান খুব সহজেই আমরা পেয়ে যাচ্ছি, তাই ইতালিতে বা চীনে কি হচ্ছে তার সচিত্র বর্ণনা আমাদের ইচ্ছা বা অনিচ্ছাসত্ত্বেও ভায়া আমাদের নিউজফিড পৌঁছে যাচ্ছে আমাদের মগজে। আর​, তার সাথে আগুনে বিশ্লেষণ – “আপনি এখনো ভ​য় পাচ্ছেন না! তাহলে, কখন পাবেন​?” সুকুমার রায়ের ভাষায়​, “আজকে তোকে সেই কথাটা বোঝাবই বোঝাব, না বুঝবি তো মগজে তোর গজাল মেরে গোঁজাব”। প্রবল আতঙ্কে থাকতে হবে, নাহলে সমাজ আপনাকে মেনে নেবে না!

বিভিন্ন দেশে সুপারমার্কেট উজাড় করে চাল​-ডাল​-আলু-পেঁয়াজ​-মায় ট​য়লেট পেপার কিনে ঘর বোঝাই করছে সবাই, বিনা কারণে। স্বার্থপরের মতো সহনাগরিকদের কথা চিন্তা না করেই দোকানের সেল্ফ খামচে মূহুর্তের মধ্যে আমরা শেষ করে দিচ্ছি প্র​য়োজনীয় এবং অপ্র​য়োজনীয় অনেক কিছু। দোকানের বাইরে আউট অফ স্টকের বোর্ড ঝুলছে। আমার​-আপনার বাড়িতে বপন করা আতঙ্কের ফসল​।

তবে, সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর বাসিন্দারাও আছেন​। স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে নিষেধাজ্ঞা জারী করার পরেও অনেকে পার্টি করছেন​, ঘুরতে যাচ্ছেন​। তাঁদের বেশীরভাগের যুক্তি, এ তো সাধারণ ফ্লু, কিচ্ছু হবে না। ঠিক​, অনেকের ক্ষেত্রেই হ​য়তো এই ভাইরাসের আক্রমণ সাধারণ ফ্লুয়ের থেকে বেশী কিছু উপসর্গ দেখাবে না। কিন্তু, আপনার নিজের শরীরে যাই হোক না কেন​, আপনার হাঁচি-কাশির মাধ্যমে এই ভাইরাসের শিকার হচ্ছেন আপনার আশেপাশের সকলে। আর​, তাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা আপনার মতো সমর্থ না হতেই পারে, এবং সে ক্ষেত্রে তাঁদের মারাত্মক উপসর্গের সম্ভাবনা প্রবল​। এমনকি, অনেক ক্ষেত্রে তা প্রাণঘাতীও হতে পারে।

আমার মনে হ​য়​, এই বেপরোয়া আচরণের জন্যেও অনেক ক্ষেত্রে সোশ্যাল মিডিয়া দায়ী। সেই ঈশপের গল্পে রাখাল বালকের কথা মনে আছে? সোশ্যাল মিডিয়ায় এই কাগুজে বাঘের উপদ্রব এতো প্রবল​, কিছু মানুষ সোশ্যাল মিডিয়ার প্রচারকে অতিরঞ্জন ছাড়া আর কিছু ভাবতে পারেন না।

এই দুঃসম​য়ে আতঙ্ক ছ​ড়ানোটাও যেমন অনুচিত​, সম্পূর্ণ উদাসীনতা দেখিয়ে “আজ কুছ তুফানী করতে হ্যায়​” আচরণও অত্যন্ত ক্ষতিকর​। অনেক দেশেই অফিস​-স্কুল​-কলেজ ইত্যাদি বন্ধ​, বাইরে বেড়িয়ে বিনোদনের কোন উপায় নেই। কথায় বলে, অলস মস্তিস্ক শ​য়তানের কারখানা। তাই, অনর্থক আতঙ্ক বা গুজব ছ​ড়ানোর সম্ভাবনা প্রবল​, এবং কিছু ক্ষেত্রে তা হচ্ছেও।

পাঠকদের কাছে বিনীত অনুরোধ রইল​, এই সম​য়ে সোশ্যাল মিডিয়াকে বিচক্ষণতার সাথে ব্যবহার করুন​। অহেতুক আতঙ্ক ছ​ড়াবেন না। ডাক্তার​-স্বাস্থ্যকর্মী-বিশেষজ্ঞদের উপরে ভরসা রাখুন​, কারণ তাঁরা আপনার থেকে এই বিষ​য়ে বেশী জানেন​। তাঁদের নির্দেশ মেনে চলুন​, অহেতুক ঝুঁকি নিয়ে নিজের এবং অন্যের প্রাণসংশ​য়ের কারণ হবেন না।

সবচেয়ে প্র​য়োজনীয়​, অবগত সিদ্ধান্ত নিন​। কর্তৃপক্ষের উপরে, বিশেষতঃ যাঁরা রোগপ্রতিরোধে বিশেষজ্ঞ, তাঁদের উপরে ভরসা রাখুন​। এই প্রসঙ্গে জানিয়ে রাখি, হল্যান্ডে হৈচৈ-এর ওয়েবসাইটে আমরা এই বিষ​য়ে সরকারী সিদ্ধান্ত এবং বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর লিপিবদ্ধ করতে চেষ্টা করছি (লিঙ্ক​: https://www.hoichoi.nl/posts/corona-virus-outbreak/), প্রয়োজনে রেফার করুন​।

বাড়ীতে থাকুন​, পরিবারের সঙ্গে সম​য় কাটান। যে সিনেমাগুলো দেখা হ​য়নি, যে বইগুলো প​ড়া হ​য়নি, যে লেখাগুলো অর্ধেক হ​য়ে পরে আছে – শেষ করুন​। সাবধানে থাকুন​, সুস্থ থাকুন – এই কামনাই করি।

Agniv Sengupta

Agniv Sengupta

পেশায় সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার অগ্নিভ সেনগুপ্ত লিখেছেন বহু পত্র-পত্রিকায়। সময়ে তার লেখা শুরু হল্যান্ডের হালহকিকত দিয়ে, এ ছাড়াও লিখেছেন আরও অন্যান্য সমকালীন বিষয়ে।

আপনার মতামত:-

%d bloggers like this: