শান্তিপুরের রাস – ইতিহাস, আখ্যান ও উপাখ্যান

শতরূপা বোস রায়

ভারতীয় ইতিহাস ঘাঁটলে জানা যায় যে আমাদের জীবনচর্যার ক্ষেত্রে ধর্মের ভূমিকা কতটা ব্যাপক ও সর্বত্রগামী। সাহিত্য, দর্শন, স্থাপত্য, ভাস্কর্য্য, চিত্রকলা, সংগীত, সমাজনীতি, আচার অনুষ্ঠান এমনকি উৎসবও ধর্মাশ্রিত। বাঙালীর বারো মাসে তেরো পার্বণ, তা তো ধর্মকে আশ্রয় করেই।  তবে কলকাতা শহরে, শহুরে জীবনযাপনের ফলে উৎসব পালনের চেহারাটা খানিকটা পাল্টেছে। সমাজনীতি ও রাজনীতির যে মৌলিক পতন ঘটেছে বর্তমানে তারই ফলশ্রুতি হয়তো বা এই শহুরে উৎসব পালন – যা এক অর্থে এখন ক্ষমতার আর প্রতিপত্তির উদযাপন। তবে এই ক্ষোভ যথোপযুক্ত নয় তার কারণ শহুরে জীবনে, ধর্মের, মূলত হিন্দু ধর্মের সার্বিক সংজ্ঞাটাই গেছে পাল্টে। সে অবশ্য অন্য প্রসঙ্গ। তা নিয়ে প্রভূত আলোচনা হয়ে চলেছে বিদ্যজনের মাঝে। তাঁরা হয়তো বা টের পেয়েছেন যে ধর্ম বোধের একটা সংশোধন হওয়া প্রয়োজন কিন্তু এই আঁধারে সঠিক দিশা খুঁজে পাওয়া কতটা সহজ সে বিষয়ে মনে বেশ সন্দেহ জাগে মাঝে মাঝে। যাক সে অন্য প্রসঙ্গ বটেই। আধুনিক শহুরে উৎসব পালনের সঙ্গে ধর্মীয় উৎসব পালনের এক প্রথাগত বিভেদ আছে. আধুনিকতার মোড়কে, প্রাচুর্য এবং আড়ম্বরে ঘেরা উৎসব পালনে অন্তরের ধর্মবোধ জেগে উঠলেও ভক্তির সঞ্চার হয়না, ঈশ্বর উপলব্ধিও হয়না। ধর্মীয় উৎসব পালনের কথা বলতে গেলে কিছু উদাহরণ অবশ্য এখনও মেলে। শহর হেকে কিছুটা দূরে নদীয়া জেলায় এক বৈষ্ণবভাবাপন্ন প্রাচীন জনপদে – শান্তিপুরে। উৎসবপ্রিয় এই শান্তিপুর, যার প্রতিটি ধূলিকণায় শোনা যায় এক ধর্মীয় ইতিহাসের নি:শব্দ পদচারণা। ধর্মপালন এখানে শুধু প্রাচীন প্রথা পালনই নয় বরং ভক্তিরসের অপার ভাণ্ডার উজাড় করে দেয় এই শহর এই ধর্মীয় উৎসব পালনের উদ্দীপনায়। 

পূর্বকথা: 

শান্তিপুরের উৎসব সম্পর্কে লিখতে গেলে কালীপুজো এবং রাস বিশেষ ভাবে উল্লেখযোগ্য। ইতিহাসে শাক্ত এবং বৈষ্ণবদের সঙ্গে মতবাদগত বিরোধের কথা সর্বজনবিদিত। কিন্তু এই শান্তিপুরই নদিয়ায় একমাত্র শহর যেখানে ভক্তিরসের সঙ্গে একই ধারায় প্রবাহিত হয় শক্তিরসের ধারাও। প্রসঙ্গত বলে রাখা ভালো যে এই শান্তিপুরের মাটিতে প্রথম কালীপুজোর অর্থাৎ শাক্ত ভাবনার প্রবর্তন করেন একজন জনৈক বৈষ্ণবভাবাপন্ন গোস্বামী। তবে শান্তিপুরের সকলের কাছে এটি একটি ঐতিহ্য সম্পন্ন বৈষ্ণবতীর্থ হিসেবেই বিশেষ পরিচিতি লাভ করেছে। এবং তার কারণ শান্তিপুর বৈষ্ণবধর্ম প্রবর্তক শ্রীঅদ্বৈতাচার্যের বাসস্থান। চৈতন্যদেব যাঁকে “গুরু” স্থানে বসিয়েছিলেন তিনি সেই অদ্বৈতাচার্য। ১৪৩৪ খ্রিস্টাব্দে বর্তমান বাংলাদেশের শ্রীহট্ট জেলার লাউর পরগনায় জন্মগ্রহণ করেন অদ্বৈতাচার্য এবং ১৫৫৯ মতান্তরে ১৫৫০ খ্রিস্টাব্দে এই শান্তিপুরেই দেহত্যাগ করেন। অদ্বৈতাচার্যই যে চৈতন্যদেবের আগে থেকেই হিন্দু ধর্মের সংস্কার নিয়ে চিন্তা করেন এবং স্বক্রীয়  ভূমিকা গ্রহণ করেন এও ইতিহাস ঘাঁটলে জানা যায়. ব্রাহ্মণদের হাতে হিন্দুধর্মের বিনাশ হতে দেখে যখন অদ্বৈতাচার্য আশঙ্কায় চিন্তায় অস্থির হয়ে পরেন তখনই তার সাক্ষাৎ হয় মাধবেন্দ্রপুরীর সঙ্গে। সমাজের গ্লানী দূর করার জন্য দুজন সাধক একনিষ্ঠ ভাবে একজন পরিত্রাতার খোঁজ করা শুরু করেন। অদ্বৈতাচার্য বলশালী, তার “সিংহবাহু, সিংহগ্রীব, সিংহের হুঙ্কার” কিন্তু ধর্ম সংস্কারের আন্দোলনে নেতৃত্ব দেবার মত তার সার্বিক ক্ষমতা ছিল না. সমগ্র জাতিকে বাঁচাতে,  হিন্দুধর্মের পতন রুখতে প্রয়োজন একজন প্রকৃত নেতার। তিনি কৃষ্ণ ভক্ত ছিলেন। কৃষ্ণের পুজো করতেন অহর্নিশি এবং বিশ্বাস করতেন এই কৃষ্ণই ধরায় অবতীর্ণ হয়ে সমাজ সংস্কার করবেন , মুসলমান রাজশক্তির অত্যাচারের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াবেন । অহিন্দুদের মধ্যে প্রেম ও প্রীতির আশ্বাস গড়ে তুলবেন , এবং হিন্দু সমাজ অন্তর্ভুক্ত নারী এবং শুদ্র, যারা হিন্দু ধর্মাচরণের নানা বাঁধার সম্মুখীন হয়,  তাদের হিন্দু ধর্ম পালনের পূর্ণ অধিকার দেবেন । সেই সংস্কারের ভারই  অদ্বৈতাচার্য তুলে দিলেন শ্রীচৈতন্যদেবের ওপরে। শান্তিপুর, নবদ্বীপ হয়ে উঠলো পুণ্যভূমি। প্রেমের ঠাকুরকে পেয়ে বৈষ্ণবরসে  স্নাত হলো শান্তিপুর। সেই থেকেই কৃষ্ণকে ঘিরে যে সব উৎসব সে সমস্ত উৎসব পালিত হয়ে আসছে শান্তিপুরে। তার মধ্যে প্রধান, দোল যাত্রা এবং রাস।  

রাস উৎসব: পৌরাণিক আখ্যান: 

শ্রীমদ্ভগবৎ অনুযায়ী রাসের যে পৌরাণিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়, তাতে বলা হয়, শ্রীধাম বৃন্দাবনে রসরাজ শ্রীকৃষ্ণ গোপিনীদের সঙ্গে রাসলীলা করতেন। সে রাসে অংশ নিতেন সকল গোপিনীরা। তারা সকলে ষোড়োশীভাবে শ্রীকৃষ্ণের সঙ্গে রসাস্বাদনে মিলিত হতেন। রাস অঙ্গনে শ্রীকৃষ্ণ ব্যাতিত অন্য পুরুষের প্রবেশাধিকার ছিলনা. কিন্তু দেবাদিদেব মহাদেবের একবার ইচ্ছা হলো সেই রাস দর্শন করবেন। তিনি শ্রীকৃষ্ণের মহিমা সম্পর্কে প্রশ্ন করলেন তার স্ত্রী যোগমায়াকে। পুরাণে আছে যোগমায়াও নাকি সেই রাসলীলায় যোগদান করতে ছুটে গিয়েছিলেন। মহাদেব ছদ্মবেশে গেলেন রাসমঞ্চের কাছে। কিন্তু অন্তর্যামী কৃষ্ণ সে বিষয়টি অনুভব করলেন। রাসলীলায় দ্বিতীয় পুরুষের উপস্থিতি গোপিনীরাও বুঝতে পারলেন। ইতিমধ্যে যোগমায়াই তাঁর স্বামীকে চিনতে পারলেন রাস কুঞ্জে  এবং ভর্ৎসনা করে রাস অঙ্গন ছেড়ে চলে যেতে বললেন। মহাদেব ক্ষুব্ধ হয়ে বললেন, “ঠিক আছে, রাস না দেখে আমি চলে যাচ্ছি ঠিকই, কিন্তু কলি যুগে আমি সমগ্র বিশ্ববাসীকে এই রাস দর্শন করাবো। বৈষ্ণব ধর্মালবম্বীদের বিশ্বাস, দ্বাপর যুগের সেই মহাদেবই কলিতে অবতীর্ণ হলেন অদ্বৈতাচার্যের রূপে। 

শান্তিপুরের রাস: 

অদ্বৈতাচার্যই শান্তিপুরে রাস উৎসব শুরু করেন। নেপালের গণ্ডকী নদী থেকে তিনি একটি নারায়ণ শিলা পেয়েছিলেন, প্রথমে সেই নারায়ণ শিলা দিয়েই রাস পুজো শুরু হয়. তারপর বৃন্দাবন থেকে রাধার সখি বিশাখা নির্মিত একটি কৃষ্ণের চিত্রপট তিনি শান্তিপুর নিয়ে আসেন। সেই পৌরাণিক আখ্যা অনুযায়ী, শান্তিপুরের বিখ্যাত মদনগোপাল বিগ্রহের রূপদান করা হয়. অদ্বৈতাচার্যের রাস উৎসবের বিশেষ প্রচার শুরু হয় যখন একে একে সব অদ্বৈত অনুগামী গোস্বামী বাড়িতে এই উৎসব পালিত হতে থাকে। রাস পূর্ণিমা তিথিতে কৃষ্ণ বিগ্রহকে ঘিরে নাম সংকীর্তন, রাত্রিকালীন বিশেষ পুজো, সাজসজ্জা ইত্যাদি হত. কথিত আছে, বড় গোস্বামীর সেই রাধারমণ আগে একা পুজিত হতেন। কিন্তু প্রায় ৩৫০ বছর আগে রাধারমণের এই বিগ্রহ একবার অন্তর্হিত হয়. লোকেরা বিশ্বাস করেন যে শ্রীকৃষ্ণ একা আছেন বলেই হয়তো অন্তর্হিত হয়েছেন। ঠিক তখনই এক অষ্টধাতুর রাধিকা মূর্তি নির্মাণ করা হয় বড় গোস্বামী বাড়িতে এবং রাস পূর্ণিমার পুণ্য তিথিতে শ্রীরাধারমনের সেই যুগল মূর্তি স্থাপনা করা হয়।  রাধিকার নাম দেওয়া হয় শ্রীমতি। রাধারমণ ও শ্রীমতীর এই অভিষেক তিথি একরকম লৌকিক বিবাহ বলা চলে।  বিবাহের পর তাদের সামাজিক পরিচিতি দিতে হবে, সুতরাং নির্ধারিত হয় যে রাধারমণ শ্রীমতীর যুগল বিগ্রহ নিয়ে নগর পরিক্রমা করা হবে. তারপরই স্বর্ণালংকারে সজ্জিত করা হয় যুগল মূর্তিকে। মখমলের কাপড়ে মোড়া হাওদায় তোলা হয়, আতরদানি, পিকদানি ফুল দিয়ে সাজানো হয় হাওদা এবং ভক্তবৃন্দ কাঁধে করে সেই হাওদা নিয়ে নগর পরিক্রমায় বেড়োন । রাস উৎসবের তৃতীয় দিনে এই শোভাযাত্রা শুরু হয় যা আজকের ভাঙ্গারাস হিসেবে বিখ্যাত। প্রাণের ঠাকুর প্রেমের দেবতাকে কাছাকাছি পেয়ে শান্তিপুরের ধর্মপ্রাণ মানুষ আপ্লুত হয়। শোভাযাত্রার পর যুগল বিগ্রহ মন্দিরেই এনে রাখা হয়।  পরদিন ভক্তেরা দর্শন করার পর যার যার মন্দিরে নিয়ে যাওয়া হয়।  রাসকুঞ্জ ভেঙে দিয়ে রাধা কৃষ্ণ বিগ্রহের এই ঘরে ফেরার অনুষ্ঠানকেই “কুঞ্জভঙ্গের ঠাকুর নাচ” উৎসব বলা হয় । গোস্বামী বাড়ি থেকে এই রাস উৎসবের প্রথা ছড়িয়ে পরে  সারা শান্তিপুর ময়।  প্রত্যেকটি গোস্বামী বাড়ির নহবতের আহির ভৈরবের সুর সকল শান্তিপুরবাসীর মনকে ভরিয়ে তোলে এক অনাবিল আনন্দে। প্রতিটি বিগ্রহ সোনার গয়নায়, মখমলের সাজে জ্বলজ্বল করে ওঠে।  ফুলের সাজে হাওদা, প্রাচীন কালের বেলোয়ারি ফানুসে মোমবাতির স্নিগ্ধ আলোয়, পরম্পরা এবং প্রাচীন ধারায় বিভিন্ন সাবেকি উপকরণ দিয়ে রাসমঞ্চ সেজে ওঠে আজও। ধর্মীয় ধারা পালন, প্রথা, নিষ্ঠা পরম্পরাই রাস উৎসবের প্রধান অলঙ্কার। রাস মঞ্চে শ্রীকৃষ্ণের মনোমুগ্ধকর রূপ দেখে মনে অপরিসীম ভক্তির সঞ্চার হয়. বৈষ্ণবভাবসম্পন্ন এই প্রাচীন ধারা আজও অব্যাহত একই ভাবে শান্তিপুরে। বাংলার তথা হিন্দু ধর্মের এ এক মনোমুগ্ধকর উৎসব।

রাস এবং শ্যাম সুন্দর:

অদ্বৈতাচার্য দেহ রাখার ৩০০ বছর পর তার বংশে আনন্দ কিশোর গোস্বামী বলে একজন একবার এক  ভীষণ পন করলেন। দন্ডি কেটে জগন্নাথ ধাম যাত্রা করলেন এবং জগন্নাথের মূর্তির সামনে আছড়ে পরে প্রার্থনা করলেন জগন্নাথদেবকে উনি পুত্র রূপে পেতে চান।  সেই মুহূর্তে জগন্নাথের মূর্তি থেকে এক জ্যোতি বেরিয়ে এসে ওনার শরীরে প্রবেশ করলো, উনি অচৈতন্য অবস্থায় পরে রইলেন মাটিতে। কিছুদিন পর স্বর্ণময়ী এবং আনন্দ কিশোরের ঘরে জন্ম নিল এক পুত্র সন্তান। আনন্দ কিশোর তার নাম রাখলেন, বিজয় কৃষ্ণ।  ছোটবেলা থেকেই বিজয় কৃষ্ণ খেলা করতেন তাদের আরাধ্য পারিবারিক দেবতা শ্যাম সুন্দরের সঙ্গে। তার করুণা অপার, তার মহিমা অসীম। বিজয় কৃষ্ণ গোস্বামী তার জীবনের শুরুতে নিরাকার আধাত্ম সাধনায় নিযুক্ত ছিলেন। ব্রাহ্ম সমাজের একজন প্রধান হিসেবে নিজেকে উৎসর্গ করেছিলেন এবং ব্রাহ্ম সমাজেই থাকতেন। বিজয় কৃষ্ণ গোস্বামীর জীবনী পড়লে জানা যায় যে তার দীক্ষা হয়েছিল স্বপ্নে। তারপরেই তাঁকে ব্রহ্ম জ্ঞান ছেড়ে কৃষ্ণ নাম নিতে আদেশ দেন অদ্বৈতাচার্য। বিজয় কৃষ্ণ গোস্বামী বৈষ্ণব কূলের গুরু হিসেবে পুজিত  হন সেই থেকেই। শ্যাম সুন্দর তারই গৃহ দেবতা এবং শান্তিপুরের অনেক বিগ্রহের মধ্যে একটি। এই প্রাচীন ধারায় শ্যাম সুন্দরও ফুলের হাওদায় উঠে ভাঙা রাসের দিন নগর পরিক্রমা করতে বেরোন। সঙ্গে যান গোঁসাই। 

বিশ্বাস, ভক্তি, ঈশ্বর মহিমা এই শব্দগুলো আজ বড়ো অচেনা শোনায়। যান্ত্রিক জীবনে ঈশ্বরের জায়গা সঠিক নির্ধারণ করা খুব কঠিন। দৈনন্দিনের মাঝে ঈশ্বর জ্ঞান, ঈশ্বর চিন্তা এগুলোর জন্য আলাদা করে সময় বের করা ক্রমশ কঠিন হয়ে উঠছে। তবুও যখন কোথাও কোথাও উৎসবের ছলে, পুজোর ছলে মূর্তি পুজোর ছলে ঈশ্বর নামক সেই অপার্থিবের আরাধনা দেখি তখন ভাবতে ইচ্ছে করে কোথাও হয়তো সত্য এখনও অবিনশ্বর। সোনার গয়নায়, ফুলের সাজে, ঢাকের শব্দে, লাল মখমলে মোড়া হাওদায়, আতরের গন্ধে, ফানুসের মধ্যে মোমবাতির আলোয় কোথায় যেন মনে হয় সেই রাস কুঞ্জই  রচনা করার চেষ্টা করে চলেছে মানুষ। কিছু ধর্মপ্রাণ মানুষ, যাদের মধ্যে এখনো ঈশ্বর বোধ, জীবনের মূল্যবোধ কিছুটা হলেও অবশিষ্ট আছে. এই কলিযুগে ঈশ্বরের অবস্থান কোথায় জানি না. তবে এই পুরাতন আচার পরম্পরা মেনে যে রাস  উৎসব পালন করা হয়ে আসছে এখনও শান্তিপুরে তা দেখে বিশ্বাস করতে ইচ্ছে করে 

যদা যদা হি ধর্মস্য, গ্লানির ভবতী ভারত।  অভ্যুর্থানাম অধর্মাস্য তদাত্মানাম সৃজাম্যহং।।পরিত্রায় সাধুনাম বীণাসয়ছ দুষ্কৃতাম। ধর্মসংস্থাপত্যর্থঃ সম্ভবামি যুগে যুগে।।

–শ্রীমদ্ভাগবতগীতা

2 thoughts on “শান্তিপুরের রাস – ইতিহাস, আখ্যান ও উপাখ্যান

  • November 25, 2019 at 2:31 pm
    Permalink

    আমি নতুন করে পড়লাম, আর পুনরায় পুলকিত হলাম।

    Reply
  • November 25, 2019 at 2:37 pm
    Permalink

    Khub bhalo laglo.. keep it up.. soma

    Reply

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *