প্রবাস ও কাঠিবাজি

অগ্নিভ সেনগুপ্ত

দরজা সকলেরই থাকে, শুধু চৌকাঠটা উঁচু না করলেই হলো।

সাম্প্রতিক সম​য়-এর পাতায় প্রবাসী-জীবনের ভালো-খারাপ নিয়ে দুটো লেখা প​ড়লাম​, দুটো আলাদা আঙ্গিকে। প্রথম​, তানবীরাদির লেখা ‘নির্জন প্রবাস ও কিছুটা একাকীত্ব​’, এবং দ্বিতীয় মনামীর লেখা ‘প্রবাস দীপাবলি’। এদের দুজনের লেখাই অনবদ্য​, এবং দুটো সম্পূর্ণ আলাদা দৃষ্টিকোণের প্রকাশ​। আমার আগের প্রতিবেদনেই লিখেছিলাম যে নেদারল্যান্ডসে প্রবাসীদের চ্যালেঞ্জ নিয়ে আগামী প্রতিবেদন লিখব​, আর সেই লেখা শুরুর আগেই এমন সুন্দর দুটো লেখা প​ড়ে আরো উৎসাহিত হলাম​।

ওদের লেখার দৃষ্টিকোণ আলাদা হলেও একটা বিষ​য়ে দুজনেই একমত – প্রবাসে আমরা আমাদের চেনা পরিবেশের পরিপূরক হিসাবে সমান্তরাল ভারত বা বাংলাদেশ গ​ড়তে চেষ্টা করি। আর​, সেখানেই সমস্যার প্রধান উৎপত্তি, কারণ বিদেশের সমাজ​-খাদ্যাভ্যাস​-আবহাওয়া ইত্যাদি অনেক ক্ষেত্রেই তার অনুকূল ন​য়​। তাই, দুর্গাষ্টমীতে মনে ঢাকের আওয়াজ যতই তীব্র হ​য়ে উঠুক​, অফিসের প্রোডাকশন ডিপ্ল​য়মেন্ট অগ্রাধিকার পায়​। অথবা, কালীপূজায় বুড়িমার চকোলেট বোম ফাটানোর ইচ্ছা যতই থাকুক​, দেশের আইন এবং পুলিশের ফাইনের তাগিদে কখনোই তা সম্ভব হ​য়ে ওঠে না। অগত্যা, উইক​-এন্ডে পুজোর আনন্দ করে বা নিউ ইয়ারে বাজি পুড়িয়েই আমরা দুধের স্বাদ ঘোলে মেটাই। যাক​, সেই বৃত্তান্ত আপনারা তানবীরাদি আর মনামীর লেখায় পেয়ে যাবেন​, তাই আর পুনরাবৃত্তি করলাম না। তবে, আমার কাছে প্রবাসে প্রধান সমস্যা ওদের চিন্তার থেকে একটু আলাদা। ওদের লেখা অনেক বিস্তৃত​, ব্যাপ্তি ছ​ড়িয়েছে আমেরিকা-ইয়োরোপের জেনেরিক প্রবাসী-সমস্যা নিয়ে। আমি একটু জুম​-ইন করব​। আমার প্রধান আলোচ্য​, নেদারল্যান্ডসে বাঙালী প্রবাসীদের সমস্যা।

চেনা দুঃখ, চেনা সুখ – প্রবাসে বাঙালী

আমার মনে হ​য়, নেদারল্যান্ডসে বাঙালী প্রবাসীদের প্রধান চ্যালেঞ্জ – স্বজাতীয় বাঙালীরাই। শুধু প্রবাসে কেন​, স্বদেশেও তো ঈর্ষান্বিত প্রতিবেশী, বন্ধুরূপী শত্রু, কিংবা নিকট আত্মীয়ের থেকেই সবচেয়ে ব​ড় আঘাত পেতে হ​য়​। শিখদের যেমন কৃপাণ​, গোর্খাদের যেমন কুকরি, তেমনই বাঙালীর প্রধান অস্ত্র হলো – কাঠি। সামান্য সুযোগে তো বটেই, বিনা সুযোগেও কেউ কাঠি করতে ছাড়েনা।

তবে, স্বদেশে সকলের একটা আলাদা সাপোর্ট সিস্টেম থাকে, মানে মা-বাবা, ঘনিষ্ট স্বার্থহীন আত্মীয় বা বন্ধু যাঁদের আপনি অনেকদিন ধরে চেনেন​, জানেন​। প্রবাসে সেই সাপোর্ট সিস্টেম আমরা খুঁজতে চেষ্টা করি অন্য প্রবাসী স্বদেশীয়দের মধ্যে, আর সেখানেই হ​য়ে যায় মুশকিল​।

তানবীরাদির লেখায় সমস্যা হিসাবে উঠে এসেছে বর্ণবিদ্বেষের কথা। হ্যাঁ, বর্ণবিদ্বেষ নেদারল্যান্ডসেও বর্তমান​, এই দেশে পি-ভি-ভি-এর রাজনৈতিক উত্থান তার জ্বলন্ত প্রমাণ​। তবে, আমার অভিজ্ঞতায় খুব কমই জাতি বা বর্ণবিদ্বেষী ডাচ দেখেছি। অবশ্যই কিছু মানুষ আছেন যাঁরা মনে করেন যে প্রবাসীরা এসে তাঁদের চাকরী, জমি-জায়গা, সামাজিক অবস্থান ইত্যাদি কেড়ে নিচ্ছে, কিন্তু তেমন চিন্তাধারার মানুষ তো সব দেশেই থাকে। আর​, বাঙালীদের কথা বলতে গেলে চন্দ্রবিন্দু-র সেই গানটা মনে প​ড়ে যায়​, “আমরা পাঞ্জাবীদের পাঁইয়া বলি, মাড়োয়ারী মাউড়া, আবার নন​-কম্যুনাল দেওয়াল লিখি কলকাতা টু হাওড়া”। ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভাঙ্গে, আর জাতিবিদ্বেষী বাঙালী প্রবাসে গেলেও বিষ ছড়ায়​।

একটা উদাহরণ দেওয়া যাক। নেদারল্যান্ডসে অবস্থিত এক বিখ্যাত ভারতীয় সামাজিক সংস্থার কর্ণধার সোশ্যাল মিডিয়াতে সাম্প্রদায়িক ও উস্কানিমূলক পোস্ট করতেন (বা, এখনো করে থাকেন​)। তাঁকে জিজ্ঞাসা করলাম যে, আপনি যে সামাজিক সংস্থার সঙ্গে জ​ড়িত​, সেই সংস্থা তো সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির প্রতীক​, তাহলে আপনার দৃষ্টিভঙ্গি অন্যরকম কি ভাবে হ​য়​? উত্তর পেলাম না, সোশ্যাল মিডিয়ায় ওনার প্রোফাইলে ব্লক হলাম​। তবে, সেটাই হ​য়তো এখনকার রীতি। আপনার জাতীয়তাবাদের প্রমাণ হিসাবে অন্য জাতি বা ধর্মের প্রতি আপনাকে গরম​-গরম শ্লেষ ছুঁড়ে দিতেই হবে, নাহলে আপনি আবার কিসের দেশপ্রেমিক​?

নন​-কম্যুনাল দেওয়াল​: আমাদের সহিষ্ণুতার প্রতীক

সুতরাং, অন্যের বিরূদ্ধে বর্ণবিদ্বেষ বা জাতিবিদ্বেষের দোহাই দেওয়ার আগে নিজের ঘর পরিষ্কার করাটা জরুরী। নিজের মনে দগদগে ঘা নিয়ে অন্যকে মন পরিষ্কারের উপদেশ দিতে যাওয়াটা চূড়ান্ত ভন্ডামি। দরজা তো সকলেরই থাকে, আপনার নিজের চৌকাঠ যদি উঁচু করে তোলেন তাহলে অন্যকে ‘বিবিধের মাঝে মিলন মহান​’-এর জ্ঞান দেবেন কোথা থেকে?

প্রবাসে থাকলে অবশ্য জাতীয়তাবাদ এক্সপোনেনশিয়ালি বৃদ্ধি পায়​। আমার মনে হ​য়​, তার কারণ​, অবচেতনে দেশ ছেড়ে চলে আসার গিল্ট ফিলিং। সেই প্রসঙ্গ অবশ্যই তর্কসাপেক্ষ​​।

কিন্তু, প্রবাসে কে কত বড় জাতীয়তাবাদী এবং সংস্কৃতিমনস্ক​, সেই প্রতিযোগিতায় সবাই দৌড়াচ্ছে। আর​, সেই সুযোগে বেড়ে উঠছে বিবেক​-পরিষ্করণের ব্যবসা।

প্রবাসী সংস্কৃতি প্রচার এবং প্রসারের জন্যে নেদারল্যান্ডস​-সরকার প্রত্যেক মিউনিসিপালিটিকে আর্থিক অনুদান দিয়ে থাকেন​। আর​, সেই অনুদান-লাভের গুড় খেতে অমুক দেশের একমাত্র প্রতিনিধি, বা তমুক সংস্কৃতির ধারক​-বাহক​-রক্ষক-রূপে অনেকের আত্মপ্রকাশ ঘটে। যেহেতু নেদারল্যান্ডস ছোট দেশ​, সেহেতু এখানে ফার্স্ট-মুভার এ্যাডভান্টেজ খুব গুরুত্বপূর্ণ​। তাই, যে আগেভাগে নিজেকে বিশ্বাসযোগ্যভাবে সংশ্লিষ্ট মিউনিসিপালিটির কাছে তুলে ধরতে পারবে, অনুদানের সিংহভাগ তার। তাই, সেই ‘অহম ব্রক্ষ্মাস্মি’ প্রমাণের জন্যে চলে প্রভাব​-বিস্তারের রাজনীতি। তারপর সেই অনুদান কি ভাবে সেই দেশের প্রবাসীদের বা সেই সংস্কৃতির মানুষের উপকারে কাজে লাগানো হ​য়​, সেই প্রশ্ন করে লজ্জা দেবেন না, প্লিজ​!

একসম​য়ে নেদারল্যান্ডসের​ এক বিশেষ বাঙালী সংগঠনের এক কর্তাব্যক্তি আমাদের বলেছিলেন​, “তোমরা ভাই ক্রিকেট​-ম্যাচ, পিকনিক ইত্যাদি অ্যারেঞ্জ করো, বাঙালী অনুষ্ঠান অ্যারেঞ্জ করতে যেও না”। নাহলে ওনাদের একচেটিয়া আধিপত্যে বাধা প​ড়বে যে! আধিপত্যে বাধা প​ড়ুক​, সেটা এখানে কেউ চায় না। দেশের নেতারা যেমন বলেন​, মানুষের সেবা করাই তাদের একমাত্র লক্ষ্য​। সেই ‘মানুষের সেবা’-র উদ্দেশ্যে চেয়ার পাওয়ার জন্যে একে-অপরের লাশ ফেলতেও কেন ওনারা পিছপা হননা, সেই কারণটা যদিও আমার কাছে খুব পরিষ্কার ন​য়​।

এক ফেসবুক গ্রুপ। নাম​: ‘ইন্ডিয়ানস ইন এক বিশেষ দেশ’ (নেদারল্যান্ডস ন​য়​, সেটা বলতে পারি)। সেই গ্রুপের অ্যাডমিনের ক​ড়া নির্দেশ​, কেউ নিজের ব্যবসার প্রচার যেন ওই গ্রুপে না করে। ভালো কথা। কিন্তু উনি নিজে একটি ভাষাশিক্ষার স্কুল চালান​, সেটির প্রচার উনি প্রায়শই করে থাকেন​। কেউ হ​য়তো জিজ্ঞাসা করেছিল​, দাদা, একই গ্রুপে দুজনের জন্যে দুরকম নিয়ম কেন​? ওনার সোজাসাপ্টা উত্তর​, আমার গ্রুপ​, আমি যা ইচ্ছা করব​।

না দাদা, আপনার গ্রুপে নিয়ম আপনি বানিয়েছেন​, আর সেটা ভাঙছেনও আপনি। আপনার ব্যবসার প্রচার করতে হলে অন্য উপায় নিন, অথবা গ্রুপের নাম পাল্টে আপনার ব্যবসার নামে গ্রুপ বানান​। ‘ইন্ডিয়ানস ইন অমুক দেশ’ মানে কিন্তু সেটা আপনার ন​য়​, সবার​।

দরজা তো সকলেরই থাকে, কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে এনারা চৌকাঠটা এতো উঁচু করে ফেলেন যে সাধারণ মানুষের পক্ষে টপকানো সহজ হ​য় না।

তবে তার বিপরীত​ উদাহরণও আছে। আপনি ধরুন কিছু-একটা শুরু করলেন​, এবং আপনার কৃতিত্বে সামান্য স্বীকৃতি, সামান্য সাফল্য পেলেন​। ব্যাস​, আপনি হ​য়ে গেলেন অনেকের চক্ষুশূল​​। আপনার সামনে কেউ কিছু বলবে না, কিন্তু কি ভাবে আপনার পা ধরে টেনে নামানো যায়​, সেই চিন্তায় অনেকেরই ঘুম হবে না। বাঙালী কাঁক​ড়া দেশেও কাঁক​ড়া, বিদেশেও কাঁক​ড়া। বরং, বিদেশ হলে তার দাঁড়ার জোর আরো বেড়ে যায়। আপনি  আপনার দেশের বাইরেও নিজের চেষ্টায় দাঁড়াচ্ছেন​, সেটা তাঁদের চোখে অতি অবশ্যই গর্হিত অপরাধ​!

কাঁক​ড়া-সমস্যা: দেশে হোক বা বিদেশে

মনামী যেমন লিখেছে, বিদেশের ঝাঁ-চকচকে রাস্তার আরাম আর কলকাতায় ছাদের নোনা-ধরা দেওয়াল​, মায়ের আঁচলের হলুদের গন্ধের আবেগের মধ্যে আপনাকে বেছে নিতে হবে। সেটা একান্ত আপনার ব্যক্তিগত পছন্দ​। আমি সহমত​। কিন্তু, মানুষ সামাজিক জীব​। ঝাঁ-চকচকে রাস্তা আর ইউরো কনভার্সনের গুণফল যাই হোক না কেন​, উৎসব-আনন্দকে ভাগ করে নেওয়ার জন্যে, দিনের শেষে চায়ের পেয়ালা হাতে দু-দন্ড কথা বলার জন্যে, কি নেহাতই মাতৃভাষায় দুটো খিস্তি মারার জন্যে কাউকে তো চাই!

বেশীরভাগ ক্ষেত্রেই আমাদের দুটোই চাই – বিদেশের আরাম আর দেশের আবেগ​।

আবার, সম্পূর্ণ বিপরীত মেরুর বাসিন্দারাও আছেন​, যাঁরা বিদেশে এসে বাঙালী সংস্কৃতির প্রচার​-প্রসার নিয়ে অতো মাথা ঘামান না। বছরে একবার দুর্গাপুজোতে শাড়ি-ধুতি পরে সেলফি তুলে ফেসবুক​-ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করাতেই তাঁরা সুখী। তবে, সুখের বিষ​য়​, ওনাদের সমস্যাও কম​, এবং প্রবাসীদের​ সার্বিক সমস্যাতে তাঁদের যোগদানও কম​। অবশ্যই তাঁদের সামাজিক যোগ আছে, তবে সেটা প্রধানত প্রবাসী-ফ্রি। তাঁদেরও নিশ্চ​য়ই চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হ​য়​, কিন্তু সেই বিষ​য়ে আমার জ্ঞান সীমিত​।

বিদেশে বঙ্গবেশে

অনেকেই ভাবেন​, কেউ বিদেশে গেছে মানে সে আলিবাবার গুহায় ঢুকেছে। চারিদিকে বহুমূল্য হীরে-জহরত​, তার মাঝে আমাদের পাশের বাড়ির ছেলেটা। সেখানে আবার এতো আবেগ ইত্যাদির প্রসঙ্গ​ কোথা থেকে আসে?

একটা সম​য়ে, মানে যখন সদ্য​-সদ্য চাকরী পেয়েই নেদারল্যান্ডসে এসেছিলাম​, তখন ওই ইউরো আই-এন​-আরের কনভার্সনটাই বেশ লোভনীয় ছিল​। কারণ​, তখন বিশেষ দায়বদ্ধতা ছিল না। বছরের সাথে সাথে উত্তরোত্তর দায়বদ্ধতা বেড়েছে, আর যতই আপনি ইউরোতে রোজগার করুন​, সেই দায়বদ্ধতার খরচও আপনাকে ইউরোতেই দিতে হবে। তাই, এখন ওই কনভার্সনের গুণফল বিশেষ অনুপ্রেরণা দেয় না।

যাঁরা অনেকদিন এখানে আছেন​, বা থাকার পরিকল্পনা করছেন​, তাঁদের প্রধান মোটিভেশন বেশীরভাগ ক্ষেত্রে অর্থনৈতিক ন​য়​। তাই, তাঁদের প্রবাসে প্রধান সমস্যাকেও ব্যাঙ্ক​-ব্যালেন্সের সহজ হিসাবে পরিমাপ করা যায়না। সেখানে সামাজিক ব্যবস্থা, পারস্পরিক যোগাযোগ​, একটা সাপোর্ট সিস্টেমের খোঁজ – এইসবের গুরুত্ব হ​য়ে ওঠে অপরিসীম​। তানবীরাদি আর মনামীর লেখায় সেই প্রসঙ্গ বারবার ফিরে এসেছে, কিন্তু সেখানে সমস্যার প্রধান কারণ হিসাবে দেখানো হ​য়েছে প্রবাসের অচেনা পরিবেশ​। কিন্তু, সেই অচেনাকে চেনানোর​, বা অপরিচিত পরিবেশকে পরিচিত করিয়ে দেওয়ার জন্যে আমাদের তথাকথিত ‘এক্সপ্যাট কম্যুনিটি’-র অবদান কত​?

কাউকে আঘাত করা আমার এই প্রতিবেদনের উদ্দেশ্য ন​য়​। কথায় বলে, চ্যারিটি বিগিনস অ্যাট হোম​। তাই, আমরা যদি নিজেদের ক্ষুদ্র স্বার্থ​, ক্ষুদ্র বিভেদ ভুলে এই প্রবাসে একে-অপরের পাশে দাঁড়াই, তাহলে নির্জন প্রবাস হ​য়তো অতোটা নির্জন থাকবে না, বা প্রবাস দীপাবলিকেও আমরা আলোকোজ্জ্বল করে তুলতে পারবো।

দরজা সকলেরই থাকে, শুধু চৌকাঠটা উঁচু না করলেই হলো!

অবশ্যই, অনেক ব্যতিক্রমী মানুষ আছেন যাঁদের চৌকাঠ অতো উঁচু ন​য়​। আমার বিগত দশ বছরের প্রবাস​-জীবনে এমন কিছু মানুষের সাথে আলাপ হওয়ার সুযোগ হ​য়েছে, এবং তাঁদের উপকারের ঋণ শোধ করা আমার ইহজীবনে সম্ভব ন​য়​। তাঁদের ধন্যবাদ জানিয়ে আজকের লেখা এখানেই শেষ করি।

প​ড়ুন​, অন্যকে প​ড়ান, এবং অবশ্যই আপনার মূল্যবান মতামত জানাতে ভুলবেন না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *