কেন আমি বুদ্ধের শরণ নিয়েছি

সৌমেন পাত্র

মানুষের জীবনে প্রধান সমস্যা হল মানুষ। আমরা সারা জীবন মূলত মানুষ খুঁজে বেড়াই – আমাদের মনের মতো মানুষ। কেমন হবে আমাদের সেই মনের মতো মানুষ? সেই মানুষ আমাদের বুঝবে, আমাদের মূল্য দেবে, আমাদের ভালোবাসবে। সেই মানুষ কখনোই আমাদের ঘৃণা করবে না, উপেক্ষা করবে না, আঘাত করবে না। সমস্যা হল, এরকম মনের মতো মানুষ আমরা কখনোই খুঁজে পাই না। তাই আমাদের খোঁজাও কখনও শেষ হয় না। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত আমাদের আক্ষেপ থেকে যায় – আমাকে কেউ বুঝল না, আমাকে কেউ ভালোবাসল না। ভালোবাসার খোঁজে আমরা নিত্যনতুন মানুষের কাছে যাই, আঘাত খেয়ে ফিরে আসি, আবার ছুটে যাই নতুন মানুষের কাছে। মানুষকে ছাড়া আমরা থাকতেও পারি না। যাদের জীবনে অর্থনৈতিক কষ্ট একেবারে অসহনীয়, তাদের কথা বাদ দিলে মানুষের জীবনে এটাই হল প্রধান সমস্যা।

এই সমস্যা নিয়ে, এই ব্যথা নিয়ে আমরা বাঁচি কিভাবে? এই ব্যথার উপশম করার জন্য আমরা কিছু মলম আবিষ্কার করেছি। তার মধ্যে প্রথমটি হল প্রিয়জন অর্থাৎ আমাদের পরিবার-পরিজন। আমাদের বাবা-মা, ভাইবোন, স্বামী কিংবা স্ত্রী এবং সন্তানেরা সাধারণত আমাদের ভালোবাসে। তাদের কাছে কিছুটা হলেও আমাদের ব্যথার উপশম হয়।

পড়ে নিন… বুদ্ধ কথন – পর্ব ১

কিন্তু প্রিয়জনেরাও তো মানুষ, তাদেরও দোষগুণ আছে। তাই তারাও সবসময় আমাদের নিখুঁতভাবে বোঝে না, কঠিন পরীক্ষার মুখে তাদের ভালোবাসাও কখনও কখনও অনুত্তীর্ণ হয়। তাই আমরা “আপন মনের মাধুরী মিশায়ে” কল্পনায় নির্মাণ করেছি একটি নিখুঁত প্রিয়জন – ঈশ্বর! ঈশ্বর অন্তর্যামী – তিনি আমাদের মনের সব খবর রাখেন। ঈশ্বর পরম করুণাময় – তিনি আমাদের সবসময় নিঃশর্তভাবে ভালোবাসেন। ঈশ্বর নিখুঁত, আর সেই কারণেই, ঈশ্বর অবাস্তব!

যারা অবাস্তব ঈশ্বরের অস্তিত্ব স্বীকার করার মতো যথেষ্ট কল্পনাশক্তির অধিকারী নন, সেইসব মুষ্টিমেয় মানুষেরা ঈশ্বরের বিকল্প কতকগুলি মলম আবিষ্কার করেছেন। তার মধ্যে একটি হল মানবতাবাদ। মানবতাবাদী ঈশ্বরকে তাঁর আসন থেকে বিচ্যুত করে তাঁর জায়গায় মানুষকে বসান। মানবতাবাদী বিশ্বাস করেন, মানুষ মূলত ভালো। তাই মানুষের কাছে বারবার আঘাত পেয়েও তিনি “মানুষের উপর বিশ্বাস হারানোর পাপ” করতে চান না। মানুষের অন্তর্নিহিত মহত্ত্বে বিশ্বাসই মানবতাবাদীর জীবনের চালিকাশক্তি। কিন্তু তাঁর এই বিশ্বাসও কখনও কখনও টলে যায়, আর তখন তিনিও কষ্ট পান। অত বড়ো মানবতাবাদী বিদ্যাসাগরকেও শেষ জীবনে পরিচিত মানুষদের সঙ্গে সব সংস্রব ত্যাগ করে নির্জনবাস করতে হয়েছিল!

মার্ক্সবাদীরাও একপ্রকার মানবতাবাদী। তাঁরা বিশ্বাস করেন, পুঁজিবাদের নিষ্পেষণে নিষ্পেষিত হয়ে মানুষ তার অন্তর্নিহিত মহত্ত্বকে হারিয়ে ফেলেছে। তাই পৃথিবীতে যেদিন সাম্যবাদের স্বর্গরাজ্য রচিত হবে, সেদিন সব মানুষ বিশুদ্ধ ভালোমানুষ হয়ে উঠবে। কিন্তু এই মার্ক্সবাদী বিশ্বাসেও ফাটল ধরে যখন দেখা যায়, যে মানুষ কখনও সেভাবে অর্থনৈতিক শোষণের স্বীকার হয়নি, সেও আমাদের মনের মানুষ হয়ে উঠতে পারছে না। সেও আমাকে ঘৃণা করছে, উপেক্ষা করছে।

পড়ে নিন… বুদ্ধ কথন – পর্ব ২

অনেকে আবার কনফুসিয়াসের “গোল্ডেন রুল” বা স্বর্ণালি নীতি মেনে চলার পক্ষপাতী। এঁদের যুক্তি হল, আমরা অন্যের কাছে যে ব্যবহার প্রত্যাশা করি, আমরা নিজেরা কি অন্যের সাথে সেই ব্যবহার করি? আমরা প্রত্যেকে আয়নার সামনে দাঁড়ালে দেখতে পাব যে, অন্যের কাছে ভালোবাসা চাওয়ার ব্যাপারে আমরা যতটা আগ্রহী, অন্যকে ভালোবাসা দেওয়ার ব্যাপারে ততটা নই। যদি সবাই অন্যকে ভালোবাসত, তাহলে নিশ্চয় কেউ ভালোবাসার অভাব বোধ করত না। তাই স্বর্ণালি নীতি অনুযায়ী, আমাদের অন্যের প্রতি সেই ব্যবহারই করা উচিত, যা কিনা আমরা অন্যের কাছ থেকে আশা করি। অন্যের কাছে যে ব্যবহার আমরা আশা করি না, সেই ব্যবহার আমাদের অন্যের প্রতিও করা উচিত নয়। স্বর্ণালি নীতি এমনিতে শুনতে ভালোই। কিন্তু সমস্যা হল, এই নীতি শুধু আপনি একা মানলে হবে না, সমাজের সবাইকেই এই নীতি মানতে হবে। ধরুন, আমি স্বর্ণালি নীতি মেনে আপনাকে খুব ভালোবাসলাম। কিন্তু আপনি যদি সেই নীতি না মানেন, তাহলে তো আপনি আমাকে ঘৃণা করতেই পারেন। সেক্ষেত্রে আমার কী করার থাকবে? কনফুসিয়াস এই সীমাবদ্ধতা বুঝেছিলেন। তাই তিনি একেবারে ছোট থেকে মানুষকে শিক্ষা দিয়ে তাদের আচরণবিধি বেঁধে দিতে চেয়েছিলেন। সমাজের প্রত্যেকটি মানুষ কার সাথে কিরকম ব্যবহার করবে, সবকিছু একেবারে নির্দিষ্ট করে দিতে চেয়েছিলেন। রাজা প্রজার সাথে কিরকম ব্যবহার করবে, প্রজা রাজার সাথে কিরকম ব্যবহার করবে, স্বামী স্ত্রীর সঙ্গে কিরকম ব্যবহার করবে, স্ত্রী স্বামীর সঙ্গে কিরকম ব্যবহার করবে – কনফুসিয়াসের ধর্মে সবকিছু একদম বিধিবদ্ধ। সেই বিধির বাইরে কারও বেরনোর হুকুম নেই। সমস্যা হল, মানুষের মতো এরকম একটি স্বাধীনতাপ্রিয় ও সৃষ্টিশীল প্রজাতিকে এভাবে নিয়মের শৃঙ্খলে বেঁধে রাখা সম্ভব নয়, উচিতও নয়। কনফুসিয়াসের ধর্ম তাই সফল হয়নি, তা শেষ পর্যন্ত কিছু অর্থহীন আচারবিচারে পর্যবসিত হয়েছে।

এবার একটু নিজের কথা বলি। জীবনের ব্যথার উপশম করার জন্য উপরে যে পাঁচটি মলমের কথা বললাম, দুর্ভাগ্যজনকভাবে দীর্ঘদিন ধরে তার মধ্যে একটিও আমার ব্যবহার করার সুযোগ ছিল না। শৈশব থেকে শুরু করে প্রথম যৌবন পর্যন্ত আমার প্রকৃত অর্থে কোন প্রিয়জন ছিল না। ঈশ্বরের অস্তিত্বে বিশ্বাস করার মতো যথেষ্ট কল্পনাশক্তিও আমার কোনদিনই ছিল না। আর মানবতাবাদ, মার্ক্সবাদ বা কনফুসিয়াসের স্বর্ণালি নীতির কথাও কেউ আমাকে বলে নি। ফলে দীর্ঘদিন পর্যন্ত আমার জীবনে ব্যথার পাল্লাই শুধু বেড়েছে, ব্যথা উপশমের পাল্লা শূন্যই থেকেছে।

এরকম সময়ে খানিকটা আকস্মিকভাবেই আমি একদিন বুদ্ধের দেখা পেলাম। শ্রাবস্তী নগরে ভিক্ষান্ন সংগ্রহ করে তিনি বুঝি জেতবনের পথে যাচ্ছিলেন। বিপরীত দিক থেকে আমায় ম্লান মুখে আসতে দেখে প্রশান্ত নয়নে আমার দিকে চেয়ে স্মিত হাসলেন। তাঁর মুখে কী এক অনাবিল আনন্দ, সেখানে দুঃখের কোন চিহ্নমাত্র নেই। আমি অবাক হলাম। এরকম মানুষ আমি আগে কখনও দেখি নি। জানতে ইচ্ছে হল, তাঁর এই অপার আনন্দের রহস্য কী? তাঁর তো কোন প্রিয়জন নেই, তিনি ঈশ্বর মানেন না। জীবনের ব্যথা উপশমের প্রথাগত কোন মলমই সম্ভবত তিনি ব্যবহার করেন না। তাহলে তিনি সব ব্যথাকে জয় করলেন কোন মন্ত্রবলে? আমার প্রশ্নার্ত চোখ দেখে তিনি নিজেই উত্তর দিলেন। বললেন, ওইসব মলম আসলে ব্যথার উপসর্গের চিকিৎসা করে, ব্যথার মূলকে দূর করতে পারে না। তাই তাদের প্রভাব ক্ষণস্থায়ী। চিরস্থায়ী আনন্দ পেতে হলে ব্যথার মূলকে দূর করতে হবে।

পড়ে নিন…গৌতমের গৃহত্যাগ – মিথ এবং বাস্তব

জানতে চাইলাম, কিভাবে তা করা যাবে? তিনি বললেন, দুঃখের মূল কারণ হল তৃষ্ণা বা আকাঙ্খা। কেউ আমাকে বুঝবে, কেউ আমাকে ভালোবাসবে, এই আকাঙ্খাই আসলে সব দুঃখের কারণ। আমি অবাক হয়ে বললাম, সে তো ঠিকই, কিন্তু ওই আকাঙ্খা কি মানুষের একটা সহজাত প্রবৃত্তি নয়? ওই আকাঙ্খাকে বাদ দিলে তো মানুষের অস্তিত্বই থাকবে না। তিনি আবার মৃদু হাসলেন। বললেন, না, ওই আকাঙ্খা মানুষের সহজাত নয়। একটা ভ্রান্তি থেকে ওই আকাঙ্খার জন্ম হয়। ভ্রান্তির নিরসন করতে পারলেই আর আকাঙ্ক্ষাও থাকবে না। জানতে চাইলাম, কী এমন ভ্রান্তি লুকিয়ে আছে আমাদের মনের গভীরে যা আমরা বুঝতে পারছি না? তিনি বললেন, আমিত্বের ভ্রান্তি। একটা স্বতন্ত্র, অপরিবর্তনীয় ‘আমি’ লুকিয়ে আছে তোমার অস্তিত্বের কেন্দ্রে – এই ভ্রান্তি। তুমি আসলে জগতরূপী নদীস্রোতের একটা ক্ষুদ্র অংশ মাত্র। প্রতি মুহূর্তে তুমি পরিবর্তিত হচ্ছ। প্রতি মুহূর্তে তোমার মধ্যের জলকণা স্রোতের টানে বেরিয়ে যাচ্ছে, আবার পর মুহূর্তেই নতুন জলকণা ঢুকছে তোমার মধ্যে। তোমার মন, তোমার শরীর কিছুই স্থির নয়, কিছুই আসলে ‘তোমার’ নয়। সবকিছু ওই নদীর স্রোতের মতো আসছে আর যাচ্ছে। অথচ ভ্রান্তির বশে, অজ্ঞানতার বশে তুমি নিজেকে স্থির, স্বতন্ত্র একটা কিছু ভেবে বসে আছ। আর সেই স্থির, স্বতন্ত্র ‘আমি’র ভ্রান্ত বিশ্বাসকে টিকিয়ে রাখার জন্যই তোমার ভালোবাসার প্রয়োজন হয়, ভরসার প্রয়োজন হয়, তুমি উপেক্ষা সহ্য করতে পার না, ঘৃণা সহ্য করতে পার না। একবার ওই আমিত্বের ভ্রান্তিকে চিরতরে ত্যাগ করে ফেল। দেখবে জীবন কত সহজ, কত সাবলীল হয়ে যাবে। মনের মতো মানুষ খোঁজার জন্য আর তোমাকে ছুটে বেড়াতে হবে না। তুমি নিজেতে নিজেই সম্পূর্ণ হয়ে উঠবে।

এরকম আশ্চর্য কথা আমি কোনদিন কারও কাছে শুনি নি। কথাগুলো গিয়ে আঘাত করল আমার চিন্তার কেন্দ্রমূলে। সত্যিই এরকম সম্ভব? আমি নিজে নিজেই সম্পূর্ণ, নিজে নিজেই সুখী? নিজের সুখের জন্য এই পৃথিবীতে কাউকেই আমার প্রয়োজন হবে না? যদি সত্যিই এরকম অবস্থা অর্জন করা যায়, তাহলে তার চেয়ে কাঙ্খিত আর কোনকিছুই হতে পারে না। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গে একটা সন্দেহ উঁকি দিল মনের মধ্যে। এরকম অবস্থায় কি তাহলে ভালোবাসা বলে, আবেগ বলে আদৌ কিছু থাকবে? এরকম হলে কি আমি একটা হৃদয়হীন যন্ত্রে পরিণত হব না? সেটা কিন্তু কিছুতেই কাম্য নয়। তার চেয়ে দুঃখ থাকুক সেও ভালো, আমি আবেগহীন যন্ত্রে পরিণত হতে চাই না।

আমার সন্দেহের কথা শুনে বুদ্ধ আবার মৃদু হাসলেন। বললেন, তুমি আমার মুখের দিকে ভালো করে তাকাও। আমাকে দেখে কী মনে হচ্ছে? প্রেমহীন, নিষ্প্রাণ যন্ত্র? আমি বললাম, ছি ছি, আপনার মতো করে মানুষকে আর কে ভালোবাসে? আপনার মতো প্রাণবন্ত, প্রফুল্ল মুখচ্ছবিও আমি আর কারও দেখি নি। নিশ্চয় আমার কোথাও একটা বুঝতে ভুল হচ্ছে। আপনি দয়া করে আমার ভ্রান্তি দূর করুন।

তিনি বললেন, দ্যাখ, তোমরা ভালোবাসা ব্যাপারটাকে শুধুমাত্র আকাঙ্খার চশমা দিয়েই দেখতে অভ্যস্ত। তাই তোমার মনে হচ্ছে, ভালোবাসা পাওয়ার আকাঙ্খা না থাকলে ভালোবাসাও থাকবে না। আসলে ব্যাপারটা কিন্তু ঠিক এর উল্টো। সত্যিকারের ভালোবাসা হবে সম্পূর্ণ আকাঙ্খাবর্জিত। আমি যখন কোন মানুষকে ভালোবাসি, তখন আমি একদমই ভাবি না, সে আমার সম্পর্কে কী ভাবছে। সে আমাকে ভালোবাসুক বা ঘৃণা করুক, তাতে আমার কিছুই যায়-আসে না। আমি তাকে ভালোবাসি, এতেই আমার আনন্দ। প্রকৃত ভালোবাসা কিন্তু সেটাই। তুমি আমাকে ভালোবাসলে তবেই আমি তোমাকে ভালোবাসব, এর মধ্যে দোকানদারি বুদ্ধি থাকতে পারে, ভালোবাসা নয়। দোকানদারি বুদ্ধি নিয়ে ভালোবাসতে যাও বলেই তোমরা এত কষ্ট পাও। সত্যিকার ভালোবাসা কখনও কষ্ট দেয় না, নিরবচ্ছিন্ন আনন্দ দেয়।

হঠাত ঘুমটা ভেঙে যেতে দেখি, কিন্ডল হাতে নিয়ে শুয়ে আছি! কিছুদিন আগে বৌদ্ধধর্ম সংক্রান্ত কয়েকটা ভালো ভালো বই কিন্ডলে ডাউনলোড করেছিলাম। তারই একটা পড়তে পড়তে কখন ঘুমিয়ে পড়েছি, বুঝতে পারি নি। যাইহোক, বুদ্ধের ওই কথাগুলো আমাকে তারপর থেকে বহুবার ভাবিয়েছে। কথাগুলো নিয়ে যখনই গভীরভাবে ভেবেছি, তখনই আমার সেগুলোকে যথার্থ মনে হয়েছে। আমি চেষ্টা করেছি তাঁর এই দর্শনকে জীবনে প্রয়োগ করার। সেটা অবশ্য একদিনের কাজ নয়। তার জন্য দীর্ঘদিনের চেষ্টা দরকার। এতদিন ধরে মনের মধ্যে লালন করা একটা বদ্ধমূল বিশ্বাসকে সম্পূর্ণ অপসারণ করা সহজ কথা নয়। তবু তাঁর দর্শন জীবনে সামান্য হলেও যেটুকু প্রয়োগ করতে পেরেছি, তাতে আমার দুঃখের বোঝা যে খানিকটা লাঘব হয়েছে, সেটা বুঝতে পেরেছি।

আপনারাও ইচ্ছে হলে তাঁর কথাগুলো নিয়ে ভাবতে পারেন। অথবা একদিন সময় করে চলে যেতে পারেন শ্রাবস্তীতে  কিংবা বৈশালীতে কিংবা রাজগিরের বেণুবনে। সেখানে গেলে এখনও তাঁর দেখা পাওয়া যায়। আপনার প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার জন্য এখনও তিনি প্রশান্ত মুখে অপেক্ষা করে রয়েছেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *