পাঁচটি বাংলা সিনেমা যা দেখলে আপনি হাসতে বাধ্য

বাঙালি বরাবরই কৌতুক প্রিয়। ঈশ্বরচন্দ্র বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে শুরু করে শিবরাম চক্রবর্তী পর্যন্ত বাংলা সাহিত্যে হাস্যরসের কোন অভাব নেই । আর সে কারণেই খুব স্বাভাবিকভাবে ভাবে সাহিত্য তার ছাপ রেখেছে বাংলা চলচিত্রে। একদম সাদা কালো যুগের বাংলা সিনেমা থেকে শুরু করে আজ অবধি এমন অনেক বাংলা সিনেমা তৈরি হয়েছে যা দেখলে আপনি হাসবেন শুধু হাসবেন না আরো অনেকে দেখতে বলবেন হাসির খোরাক পাবার জন্য। এ রকমই দশটি বাংলা সিনেমা নিয়ে কথা বলা যাকঃ-  

  • সাড়ে চুয়াত্তর (১৯৫৩) ঃ- সেই সময়ের একটি ছেলেদের মেসবাড়িতে যদি কোনভাবে একটি মেয়ে এসে উপস্থিত হয় তাহলে ব্যাচেলর ছেলেদের অগোছালো জীবনে একটু গোছানো হয়ে ওঠার দরকার হয় বৈকি!  নির্মল দে নির্দেশিত এই সিনেমা এক অসাধারন রোম্যান্টিক হাস্যরসের জন্ম দেয় যার স্বাদ পেতে গেলে দেখতেই হবে সাড়ে চুয়াত্তর।
  • ভ্রান্তিবিলাস (১৯৬৩)ঃ- ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাছচুয়াত্তর। লেখা অবলম্বনে এই সিনেমাটি একটি  অভিনব হাস্যরসাত্মক সিনেমা। কলকাতার এক অবিবাহিত ব্যাবসায়ি তার চাকরকে নিয়ে তার ব্যাবসায়িক কাজ-কর্ম সারতে আর শহরে যান। আর এরপরই শুরু হয় যত গণ্ডগোল! আর এই গণ্ডগোলই হয়ে দাঁড়ায় সিনেমার হাসির খোরাক। মনু সেন নির্দেশিত এই সিনেমা শুরু থেকে শেষ অবধি আপনাকে হাসাবে।
  • গল্প হলেও সত্যি (১৯৬৬)ঃ-  তপন সিনহা নির্দেশিত সিনেমাটিতে প্রখ্যাত কৌতুক অভিনেতা রবি ঘোষ দেখিয়েছেন যে নিত্য দিনের কাজের মাঝে ও কিভাবে আনন্দ খুঁজে নিতে হয়। সংসারে যে একে অপরের পরিপুরক, সেই সহজ সত্যকে তুলে ধরে সংসারের প্রত্যেককে তার জীবনের মানে নতুনভাবে দেখিয়েছেন।
  • ৮০তে আসিও না (১৯৬৭)ঃ- বাড়ির সকলের অবহেলা ৮০ বছরের এক বৃদ্ধের আর ভালো লাগছিল না। তাই তিনি ঘুরতে যাবে বলে মনস্থির করলেন। সেইখানে গিয়ে যৌবনের পুকুরে ডুব দিয়েই ফিরে পেলেন তার নব্য যৌবন। এই যৌবন ফিরে পাওয়ার অভিনব ঘটনাকে কেন্দ্র করে উঠতে থাকে হাসির ফোয়ারা।
  • চারমূর্তি (১৯৭৮) ঃ-  নারায়ণ গঙ্গোপাধ্যায় সৃষ্ট “পটোলডাঙ্গার মূর্তিমান” রা যে খাদ্যরসিক তা বলাই বাহুল্য। অ্যাডভেঞ্চার প্রিয় এই চারমূর্তি খাওয়া, ঘুমোনো, বেড়ানো সবেতেই যে হাসির জোগান দেবে সে নিয়ে সন্দেহ নেই। হাসির মাঝেও যে সাসপেন্স লুকিয়ে থাকতে পারে, তা জানতে গেলে অবশ্যই দেখে নিন উমানাথ ভট্টাচার্য নির্দেশিত চারমূর্তি।

আপনার মতামত:-

%d bloggers like this: